আপনার যাকাত হোক উত্তরবঙ্গের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে

বিগত বছরের ন্যায় এবারও মুফতি মনোয়ার হোসেন হাফিজাহুল্লাহ’র উদ্যোগে মাদরাসাতুল মদিনা, বগুড়া’র ব্যবস্থাপনায় আপনার যাকাত পৌঁছে যাবে প্রকৃত হকদারদের নিকট।

আপনার যাকাত যেখানে ব্যয় করা হবে

এতিম ও অসহায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও আবাসনের খরচ পূরণ।

বিধবা ও নিঃস্ব পরিবারকে ক্ষুদ্র উদ্যোগ বা কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা।

দ্বীনি শিক্ষার প্রসার এবং দাওয়াতি কার্যক্রম

দুস্থ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা।

কেন আপনার যাকাত উত্তরবঙ্গের এই জনপদে জরুরি?

  • মিশনারি ও কাদিয়ানী ফেতনা রোধ: চরম দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে খ্রিষ্টান মিশনারি ও কাদিয়ানীরা সাধারণ মুসলিমদের ঈমান বিক্রয় করতে প্রলুব্ধ করছে। আমরা সেখানে সেবার (যাকাত অনুদানের) মাধ্যমে ঈমান সুরক্ষার কাজ করছি।

  • সুদের অভিশাপ থেকে মুক্তি: এনজিও এবং চড়া সুদের কবলে পড়ে নিঃস্ব হওয়া পরিবারগুলোকে যাকাতের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী করে সুদমুক্ত জীবন গড়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে তাদের দ্বীনি পরিবেশেও আনা হচ্ছে।

  • দ্বীনি শিক্ষার প্রসার:
    অনেক পরিবার অভাবের তাড়নায় সন্তানদের স্কুলে বা মাদরাসায় পাঠাতে পারছে না, ফলে তারা নূন্যতম কালেমা বা দ্বীন জানছে না। আমরা স্কুল ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পথ সুগম করছি।

  • সেবার আড়ালে দাওয়াহ: আমরা শুধু খাবার বা অর্থ দিচ্ছি না, বরং প্রতিটি পরিবারকে দ্বীনি দাওয়াতের আওতায় এনে তাদের ঈমান ও আমল সংশোধনের মেহনত করছি।

  • স্থায়ী সমাধান: আমরা পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করে যাকাতের টাকায় ছোট ছোট প্রজেক্ট করে দিয়ে পরিবারগুলোকে স্থায়ীভাবে অভাবমুক্ত করছি।

“আপনার যাকাত এখানে শুধু একটি ক্ষুধার্ত পেটের আহার নয়, বরং একটি মুসলিম পরিবারের ঈমান রক্ষার শেষ ভরসা।”

“নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে, সৎকাজ করে এবং যাকাত প্রদান করে— তাদের জন্য তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে মহাপুরস্কার।” — আল-কুরআন

নিসাব পরিমাণ সম্পদের উপর যাকাত ফরজ। যথাসময়ে যাকাত আদায় করা ঈমানদারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।